April 12, 2026, 9:27 pm

mostbet
সংবাদ শিরোনাম
রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ

কেশবপুরে করোনা ভাইরাস সৃষ্ট পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচাতে মানুষের পেশা বদল

জাহিদ আবেদীন বাবু, কেশবপুর(যশোর) থেকে ঃ
যশোরের কেশবপুরে করোনা ভাইরাস সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আয় রোজগার কমে যাওয়ায় জীবন বাঁচাতে অনেকে পেশা বদল করছে। বিয়ে, সুন্নতে খাতনা, আকিকা, হালখাতা, সরকারি-বেসরকারি অফিসের নানা দিবস পালন, বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান বন্ধ থাকায় ডেকোরেশন ব্যবসায়ীদের আয় রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে । ফলে এ ব্যবসায় জড়িত মালিক, শ্রমিকরা মানবেতর জীবন যাপন করছে। দীর্ঘ চার মাস ধরে এ অবস্থা বিরাজ করায় সংসারের চাহিদা মেটাতে অনেকের জমানো টাকা ইতোমধ্যে খরচ হয়ে গেছে। ডেকোরেশন দোকানে ফলমূলের ব্যবসা, অনেক শ্রমিকের কাজ করে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। কেশবপুর শহরের  ত্রিমোহীনি মোড়ের ডেকোরেশন ব্যবসায়ী গোবিন্দ এখন ফল বিক্রয় করছে। রাসেল নামে এক যুবক জানান, তাদের ডেকোরেশন ব্যবসা করোনার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। তাই সে বাধ্য হয়ে রাজমিস্ত্রীর সহকারী হিসেবে কাজ করছেন । কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের সাগরদত্তকাটি গ্রামের মৃত নারায়ন মন্ডলের ছেলে মদন মোহন  মন্ডল পেশায় একজন ভ্যান চালক। করোনার কারণে ভ্যানে যাত্রী কমে যাওয়ায় আগের থেকে অর্থ উপর্জনও কমে গেছে । ফলে সংসারে অভাব দেখা দেয় তার। এক পর্যায়ে সংসারের চাহিদা মেটাতে জমানো টাকাও খরচ হয়ে যায় তার। মূলধন হারানোর পর অভাবের সংসার কিভাবে চলবে তা ভেবে তিনি কোন কূলকিনারা পাচ্ছিলেন না।  এ সময় তিনি দেখতে পান বাড়ির পাশে বিলে অসংখ্য শাপলা ফুল ফুটে আছে। বর্ষা মৌসুমে কেশবপুরে অসংখ্যা বিলে শাপলা ফুল ফোটে । এই জাতীয় ফুল শাপলা শুধু সৌন্দয্যের প্রতীক বলে নয়, সবজি হিসেবেও বেশ জনপ্রিয় । শহরের মানুষের কাছে শাপলা ফুল হিসেবে পরিচিত হলেও গ্রামের মানুষ এটাকে নাইল গাছ হিসেবে জানে। শহরের মানুষের কাছে এই শাপলা ফুলের খুব কদর। এর ফুল ও গাছ উভয়ই রান্না করে খেতে ভুব সুসাধু। তাই তিনি  সংসারের অভাব ঘুচানোর জন্য ভ্যান চালানোর বিকল্প হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন বিল ঘুরে ঘুরে শাপলা ফুল তুলে ভ্যানে করে বিভিন্ন হাট-বাজার এমনকি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফেরী করে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
ভ্যান চালক মদন মহন বলেন, শাপলা বিক্রির টাকায় তার ৪ সদস্যের সংসার চলছে। পাঁচ ছয়টি শাপলার এক একটি আটি তিনি ৫ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করেন । এ ভাবে পেশা পরিবর্তন অনেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৭ জুলাই ২০২০/ইকবাল
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর